× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

১৫ বছরে খাদ্যমন্ত্রীর আয় ১৫৭ গুণ বৃদ্ধি

নওগাঁ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০:১৪ পিএম

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১:১১ পিএম

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। প্রবা ফটো

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। প্রবা ফটো

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের গত ১৫ বছরের ব্যবধানে বার্ষিক আয় বেড়েছে ১৫৭ গুণ। স্থাবর ও অস্থাবর মিলে সম্পদ বেড়েছে ৮৬ গুণ। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা দাখিলের সময় তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ টাকার। নগদ টাকা, কৃষি-অকৃষি জমি, বাড়ি-গাড়ি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকা, সঞ্চয়পত্র ও আমানত হিসেবে ব্যাংক বিনিয়োগ করা টাকাসহ বর্তমানে তার মোট স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৯ কোটি ৫ লাখ ১২ হাজার ৬৯ টাকা, যা ২০০৮ সালের তুলনায় ৮৬ গুণের বেশি। ২০০৮ সালে তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিলকৃত হলফনামায় বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ২৫৬ টাকা।

নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। এই আসন থেকে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে পরপর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।   

সাধন চন্দ্র মজুমদার তার হলফনামায় বরাবরই পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্যবসা ও কৃষি। এবারের হলফনামায় তার আয়ের উৎস হিসেবে তিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে সম্মানী ভাতা, কৃষি খাত, ব্যাংকে স্থায়ী আমানতের সুদ, অংশীদারি কারবার (ঠিকাদারি), ব্যবসা ও অন্যান্য উৎস উল্লেখ করেছেন।

সাংসদ ও মন্ত্রী হিসেবে সম্মানী ভাতা, কৃষি খাত, ব্যাংকের স্থায়ী আমানতের সুদ, অংশীদারি কারবার (ঠিকাদারি), ব্যবসা এবং অন্যান্য উৎসের আয় থেকে পারিবারিক ব্যয় ও আয়কর দেওয়ার পর গত পাঁচ বছরে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সম্পদ বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের সময় দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী ওই সময় তার মোট স্থাবর-অস্থাবর সম্পদমূল্য ছিল ৩ কোটি ২৩ লাখ ২৯ হাজার ৬৩৯ টাকা। এবার দাখিল করা হলফনামায় মোট সম্পদমূল্য উল্লেখ করেছেন ৯ কোটি ৫ লাখ ১২ হাজার ৬৯ টাকা। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের সময় দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী ওই সময় তার মোট স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা। এই হিসাবে ১৫ বছরের ব্যবধানে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সম্পদ বেড়েছে ৮৬ গুণের বেশি।

সম্পদ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে এবারের হলফনামায় খাদ্যমন্ত্রী আয়ের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাংসদ ও মন্ত্রী হিসেবে সম্মানী ভাতা পেয়েছেন ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কৃষি খাত থেকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে পেয়েছেন ৫ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৩ টাকা। শেয়ার-সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের সুদ ও অংশীদারি কারবার (ঠিকাদারি) থেকে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে আয় হয়েছে ১৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৮৩ টাকা। এই মিলে তার বার্ষিক মোট আয় হয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০০৮ সালে নির্বাচনের সময় দাখিল করা হলফনামায় কৃষি খাত থেকে ২৫ হাজার টাকা ও ব্যবসা থেকে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা বার্ষিক আয় হতো তার। 

এবার সাধন চন্দ্র মজুমদারের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে হলফনামা দাখিলের সময় নগদ ছিল ৫ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৩ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১২ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৫ টাকা। সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ২ কোটি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯ টাকা। তার মালিকানাধীন দুটি গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এগুলোর আর্থিক মূল্য তিনি উল্লেখ করেননি। এ ছাড়া প্রায় ৬ লাখ টাকা মূল্যমানের আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকার রয়েছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামা দাখিলের সময় অস্থাবর সম্পদ হিসেবে কাছে নগদ ছিল ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল ২০ হাজার টাকা। ৯০ হাজার টাকা মূল্যমানের স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র ছিল তার। 

বর্তমানে খাদ্যমন্ত্রীর স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৫০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের কৃষিজমি এবং ৪৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩২ টাকা দামের অকৃষি জমি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের সময় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের কৃষিজমি এবং বসতবাড়িসহ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের অকৃষি জমি ছিল তার। একটি বেসরকারি ব্যাংকে খাদ্যমন্ত্রীর দায়দেনা রয়েছে সর্বমোট ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৯৫৪ টাকা।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: protidinerbangladesh.pb@gmail.com

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: pbad2022@gmail.com

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: pbonlinead@gmail.com

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: pbcirculation@gmail.com

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা