× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মাঝি থেকে সাগরের ত্রাস ডাকাতির পর ডাকাতি

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১০:৩৩ এএম

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:২৩ এএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

শাহেদ মাঝি, ইউসুফ মাঝি ও করিম মাঝি। তিনজনই জলদস্যু দলের নেতা। কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়ে তারা সাগরে ডাকাতি করেন। র‌্যাবের একটি দল দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে জল ও স্থল পথে রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে তাদের ৩০ জনকে আটক করেছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুবুল আলম গতকাল এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, শাহেদের দলে আছেন নয় সদস্য। এ দলের কাজ ছিল ডাকাতির জন্য অস্ত্র, বোট, জাল ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা। আর ইউসুফ ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী। তার দলে ছিলেন ১১ জন। ইউসুফ ডাকাতির জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নির্বাচন করে বিস্তারিত নির্দেশনা দিতেন। পরে ডাকাতির জন্য নির্দিষ্ট একটি জায়গায় একত্র হতেন। করিমের কাজ ছিল ডাকাতির পর লুণ্ঠিত সব বোট, মাছ, জাল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করে সুবিধামতো বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা। সে টাকা সব সদস্যকে সমানভাবে বণ্টন করা। তার দলে ছিলেন ডাকাত দলের ১০ সদস্য।

র‌্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নুরুল আবছার বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায়, ভোলা, বরিশাল, কুতুবদিয়া ও আনোয়ারায় ৩৫-৪০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত চক্র একত্র হয়ে সাগরে বড় পরিসরে দস্যুতার পরিকল্পনা করছে। সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামের একটি চৌকশ আভিযানিক দল পতেঙ্গা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে গহিন সমুদ্রে তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে তারা র‌্যাবকে প্রতিহত করে। তারা দিক পরিবর্তন করে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা নৌবন্দর এলাকায় ১৫ নম্বর ঘাটের দিকে যেতে থাকে। এ সময় র‌্যাব তাদের দুটি ট্রলারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রলার থেকে অস্ত্র, ডাকাতির মাছ, মালামালসহ ৩০ জনকে আটক করে।

গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গার ১৫ নম্বর জেটি এলাকায় র‌্যাব অধিনায়ক সাংবাদিকদের বলেন, ডাকাতির পর এ জলদস্যুরা কিছুদিনের জন্য গা-ঢাকা দিয়ে থাকেন। পরে আবার ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। শুধু ডাকাতি নয়, জেলেদের ওপর অত্যাচার, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ সব রকম অন্যায় কাজ করেছেন তারা। তিনি আরও বলেন, এ জলদস্যু চক্রটি আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে ১৫-২০টি ট্রলারে ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিল। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ‘১৪ জনের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে’। আসামি ও উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরঞ্জাম বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার মো. রুবেল, দেলোয়ার ইসলাম, মো. দিদারুল ইসলাম, মো. নাইম, মহেশখালীর মো. গিয়াস উদ্দিন, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মো. শামীম, মো. ইউসুফ, শাজাহান বেগ, মো. সাহাব উদ্দিন ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার মো. করিম, মো. জফু, শফি আলম, আবদুর রহিম, মো. শওকত, মো. ইসমাইল, নুর মোহাম্মদ, আবদুর রহিম সিকদার, মো. মফিজুর রহমান, ফজল হক, মো. কাছেদ, মো. আকিদ খান, মো. হারুন, মো. ইয়াছিন, মো. খলিলুর রহমান, মো. ইকবাল হোসেন, মো. শাহেদ, মো. হোসেন, মো. আলী হোসেন, আবদুল মান্নান ও মো. সোলায়মান।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: protidinerbangladesh.pb@gmail.com

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: pbad2022@gmail.com

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: pbonlinead@gmail.com

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: pbcirculation@gmail.com

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা